633 People Visite This Lesson.

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (Part -2 : প্রাচীন যুগ)





প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ

প্রাচীন যুগ (ব্যাপ্তিকাল : ৬৫০-১২০০ খ্রি.)। সাহিত্য নিদর্শন : চর্যাপদ  ,সাহিত্যে প্রভাব : ধর্মীয় চেতনার 

সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে যে কবির – কাহ্নপা

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের নিদর্শন – দোহাকোষ

বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় – ১৯০৭ সালে

চর্যাপদ যে ছন্দে লেখা – মাত্রাবৃত্ত

যে কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন – ভুসুকুপা

বাংলা সাহিত্যের আদি কবি – লুইপা

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় – নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে

প্রাচীনতম গ্রন্থ – চর্যাপদ

চর্যাপদের আবিষ্কারের কাল – ১৯০৭ খ্রি. ।

চর্যাপদের আদি কবি – লুইপা

‘চর্যাপদে’ যার পদ সবচেয়ে বেশি – কাহ্নপা 

চর্যাপদে কতজন কবির পদ রয়েছে – ২৪ জন

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন – চর্যাপদ

বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ – চর্যাপদ

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে, চর্যাপদের ভাষা – বঙ্গ-কামরূপী

চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম প্রমাণ করেন - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন – মুনিদত্ত

বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ ‘চর্যাপদ’ –এর রচনাকাল – সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক

চর্যাপদে প্রাপ্ত পদের সংখ্যা -  সাড়ে ৪৬ টি 

চর্যাপদের মূল নাম – চর্যাচর্যবিনিশ্চিয়

চর্যাপদ হচ্ছে – বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সংগীত

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে, চর্যাপদের রচনাকাল –  ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চর্যাপদের রচনাকাল –  ৯৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ

চর্যাপদের পদকর্তা হিসেবে পাওয়া যায় – মোট ২৩ জন, মতান্তরে ২৪ জনের পরিচয়

চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা -  কাহ্নপা (১৩ টি)

চর্যাপদের আধুনিকতম পদকর্তা – সরহপা অথবা ভুসুকুপা

চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য – ধর্মচর্চা

দ্ব্যর্থক, রূপকাত্মাক ও অস্পষ্টতার জন্য চর্যাপদের ভাষাকে- সন্ধ্যা ভাষা বা সান্ধ্য ভাষা বলে 

চর্যাপদের প্রাচীন বাঙালি কবি ছিলেন – শবরপা

প্রথম বাঙালি কবি হিসেবে পূর্ণাঙ্গ পদ রচনা করেন – লুইপা

চর্যাপদকে ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে দাবি জানিয়েছেন – হিন্দি, অসমিয়া ও উড়িয়া ভাষা-ভাষীর

 
চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১)

বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ’  -এর আবিষ্কারক- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

তিনি আরও উদ্ধার করেন – ‘ডাকার্ণব’ ও ‘দোহাকোষ’ নামক বই

তিনি সবগুলো বই প্রকাশ করেন- ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে

‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ প্রকাশ পায়- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি – মহামহোপাধ্যায়

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের ( ১৮ জুন ১৯২১) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান