1425 People Visite This Lesson.

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (Part -3 : মধ্যযুগ)





মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০)

# প্রথম নিদর্শন : শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
# কাব্যের প্রধান গুণ : ধর্মনির্ভরতা
#প্রধান মুসলমান কবি: দৌলত কাজী ও আলাওল
# এ যুগের শেষ কবি : ভারতচন্দ্র রায়গুনকর

মধ্যযুগের কবি নন – জয়নন্দী

বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলতে বোঝায় – ১২০১-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত

‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন – রামাই পণ্ডিত

 ‘শূন্যপুরাণ’ হলো – গদ্য-পদ্য মিশ্রিত চম্পুকাব্য

অশুদ্ধ বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার মিশ্রণে রচিত একটি গ্রন্থ – ‘সেক সুভোদয়া’

সুকুমার সেনের মতে, ‘শূন্যপুরাণ’ –এ অন্তর্ভুক্ত ‘নিরঞ্জনের উষ্মা’ প্রকৃতপক্ষে – সহদেব চক্রবর্তীর রচনা

‘রসুল বিজয়’ কাব্যের রচয়িতা – শেখ চাঁদ

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন – মঙ্গলকাব্য

বাংলা ভাষার মধ্যযুগ – ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ

 

              প্রাকচৈতন্যযুগ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

প্রাকচৈতন্য যুগের ব্যাপ্তিকাল -  ১২০১-১৫০০ খ্রিস্টাব্দ

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি – কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই

এ কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনা ১৯১৬  সালে প্রকাশিত হয়  –  বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ –এর রচয়িতা – বড়ু চণ্ডীদাস

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বড়াই যে ধরনের চরিত্র – রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতি

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কার করেন - বসন্তরঞ্জন রায়

চৈতন্য জীবনী কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি – কৃষ্ণদাস কবিরাজ

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’-  খানি আবিষ্কৃত হয় – গোয়ালঘরে

মধ্যযুগের প্রথম কাব্য – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

 

                

                                  বৈষ্ণব পদাবলী

পদ বা পদাবলী বলতে বোঝায় – পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ – বৈষ্ণব পদাবলী

বৈষ্ণব পদাবলীর মহাকবি বলা হয় – বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস প্রমুখকে

বৈষ্ণব পদাবলীর অধিকাংশ পদ রচিত  - ব্রজবুলি ভাষায়

ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেন – বিদ্যাপতি ও গোবিন্দদাস

পদাবলীর প্রথম কবি -  বিদ্যাপতি

‘ব্রুজবুলি’ বলতে বোঝায় – একরকম কৃত্রিম কবিভাষা  ( বাংলা ও মৈথিলী ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি )

‘ব্রুজবুলি’ যে স্থানের ভাষা – মিথিলা

বৈষ্ণব পদকর্তা ‘চণ্ডীদাস’  -  ৩ জন

বৈষ্ণব পদাবলীর অবাঙালি কবি – বিদ্যাপতি

 

                         মঙ্গলকাব্য

মঙ্গলকাব্যের কবি নন – দাশু রায় 

মঙ্গলকাব্যের মূল উপজীব্য বিষয় – দেবদেবীর গুণগান

আদি মঙ্গলকাব্য হিসেবে পরিচিত – মনসামঙ্গল

‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি – মুকুন্দ চক্রবর্তী

‘মঙ্গলকাব্যে’র রচয়িতা নন – বড়ু চণ্ডীদাস

মনসামঙ্গলের আদিকবি – কানা হরিদত্ত

সারদামঙ্গল মঙ্গলকাব্য নয় এটি – আধুনিক যুগের কাব্য 

মঙ্গলযুগের সর্বশেষ কবির নাম – ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর

মঙ্গলকাব্য রচনার মূলে উল্লিখিত কারণ – স্বপ্নে দেবী কর্তৃক আদেশ লাভ

‘মনসামঙ্গল’ কাব্যের চরিত্র – বেহুলা-লখিন্দর

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ চরণটি – অন্নদামঙ্গল কাব্যের

‘ধর্মমঙ্গল’ কাব্যের প্রণেতা – রূপরাম চক্রবর্তী

মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম  - পদ্মপুরাণ

চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি – মানিক দত্ত

চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান কবি - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি – কবিকঙ্কণ

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র – কালকেতু

মনসামঙ্গল কাব্য রচিত – মনসা দেবীর কাহিনী নিয়ে

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঠগ চরিত্র - ভাড়ুদত্ত

অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান কাব্য – ভারতচন্দ্র রায়

বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি - ভারতচন্দ্র রায়

‘ধর্মমঙ্গল’ কাব্য যে দুটি পালায় বিভক্ত – রাজা হরিশচন্দ্রের গল্প এবং লাউসেনের গল্প

কালিকামঙ্গলের আদি কবি – কবি কঙ্ক

 

             অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ প্রার্থনাটি – ঈশ্বরী পাটনীর

‘নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়’

‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’

‘বড়র পীরিত বালির বাঁধ ।
ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেক চাঁদ।’

‘কড়িতে বাঘের দুধ মেলে’

‘জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরীয়সী’

 

                      জীবনী সাহিত্য

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যে ধর্মপ্রচারক –এর প্রভাব অপরিসীম  - শ্রীচৈতন্যদেব

বাংলা সাহিত্যে একটি পঙ্‌ক্তিও না লিখে যার নামে একটি যুগের সৃষ্টি হয়েছে -  শ্রীচৈতন্যদেব

বাংলা ভাষায় প্রথম জীবনী সাহিত্য – চৈতন্য জীবনী কাব্য

চৈতন্যদেব ছিলেন – বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক

‘নবীবংশ’  যে কবির রচনা – সৈয়দ সুলতান

চৈতন্যদেবের জীবনভিত্তিক প্রথম কাহিনী কাব্য রচনা করেন – বৃন্দাবন দাস (কাব্যটির নাম ‘শ্রীচৈতন্যভাগবত’)

 

                     অনুবাদ সাহিত্য

মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য মূলত – ভাবানুবাদ

‘পরাগলী মহাভারত’ খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদক – কবীন্দ্র পরমেশ্বর

হিন্দী ‘পদুমাবৎ’ –এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’  কাব্যের রচয়িতা – আলাওল

মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক – কাশীরাম দাস

শাহ মুহম্মদ সগীর অনূদিত বিখ্যাত কাব্য – ইউসুফ জোলেখা

‘লায়লী মজনু’ কাব্যের রচয়িতা – দৌলত উজির বাহরাম খান

বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয় – মধ্যযুগে