1430 People Visite This Lesson.

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (Part -5 : মধ্যযুগ)





বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে।বাংলা সাহিত্যের যুগ সন্ধিক্ষণ বলা হয় – ১৭৬০-১৮৬০ সালকে , যুগ সন্ধিকালের কবি বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে ।

                       কবিওয়ালা-শায়ের-পাঁচালী-তপ্পা-গান

এন্টনি ফিরিঙ্গি যে জাতীয় সাহিত্যের রচয়িতা – কবিগান

‘কবিওয়ালা’ বলতে বোঝায় – কবিতাকে জীবিকা নির্বাহের উপায় হিসেবে গ্রহণকারীদের

শায়েররা যে সাহিত্য রচনা করেন – দোভাষী সাহিত্য

শায়ের বলা হয় – আরবি-ফারসি-হিন্দি-উর্দু-ভাষার মিশ্রণে মুসলমান কাব্য রচয়িতাদের

পাঁচালী গানের প্রধান কবি – দাশরথি রায়/দাশু রায়

বাংলা টপ্পা গানের জনক – নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত

আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার উৎস – টপ্পাগান

কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে – আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে

কবি গানের প্রথম কবি – গোঁজলা গুই

কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে পরিচিত – এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রাম্প্রসাদ রায়

‘টপ্পা’ মূলত - একধরনের গান

 

    মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক ও সাহিত্যকর্ম

বড়ু চণ্ডীদাস
মধ্যযুগের আদি কবি – বড়ু চণ্ডীদাস
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য রচনা করেন - বড়ু চণ্ডীদাস

চণ্ডীদাস
বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি – চণ্ডীদাস
‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ বলেছেন – চণ্ডীদাস

বিদ্যাপতি
বিদ্যাপতি যেখানকার কবি ছিলেন – মিথিলার
বিদ্যাপতি ছিলেন – মিথিলার কবি
বিদ্যাপতি যে ভাষায় পদ রচনা করেন – ব্রুজবুলি
বিদ্যাপতি মূলত – বৈষ্ণব কবি
বিদ্যাপতির শ্রেষ্ঠ রচনা – রাধা-কৃষ্ণবিষয়ক পদ

কৃত্তিবাস ওঝা
সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেন কৃত্তিবাস ওঝা
বাল্মীকির রামায়ণের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদক – কৃতিবাস ওঝা

দৌলত উজির বাহরাম খান
বাংলা ভাষায় প্রথম ‘লাইলি-মজনু’ কাব্য রচনা করেন – দৌলত উজির বাহরাম খান
‘লাইলি-মজনু’ কাব্যের মূল উৎস – আরবি লোকগাঁথা

শাহ মুহম্মদ সগীর
প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি – শাহ মুহম্মদ সগীর
রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ মুহম্মদ সগীর
শাহ মুহম্মদ সগীর অনূদিত বিখ্যাত কাব্য - ‘ইউসুফ-জোলেখা’
মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি - শাহ মুহম্মদ সগীর
‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্যের উৎস – বাইবেল ও কুরআন
বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান - ইউসুফ-জোলেখা

চন্দ্রাবতী
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি – চন্দ্রাবতী
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর পিতার নাম – দ্বিজ বংশীদাস
সর্বপ্রথম রামায়ণ অনুবাদকারী কবি হলেন – চন্দ্রাবতী
চন্দ্রাবতী রামায়ণ ছাড়াও রচনা করেন – ২ টি কাব্য

দৌলত কাজী 
‘সতী ময়না-লোর চন্দ্রানী’র রচয়িতা – দৌলত কাজী
লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা  - দৌলত কাজী
‘সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী’র কাব্যটির রচয়িতা - দৌলত কাজী
মধ্যযুগের বাংলা রোমান্টিক কাব্যধারার পথিকৃৎ - দৌলত কাজী

সৈয়দ সুলতান  
সৈয়দ সুলতান ছিলেন – সুফি সাধক ও শাস্ত্রবিদ
সৈয়দ সুলতানের শ্রেষ্ঠ ও বৃহত্তম কাব্য – নবীবংশ

আলাওল   
‘তোহফা’ কাব্যটি রচনা করেন - আলাওল
 ‘হপ্ত পয়কর’ যে কবির রচনা – আলাওল
‘তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে ।’ – চরণটি অর্থ ঠোঁটের পরশে পান লাল হয়

কবি আলাওল জন্মগ্রহণ করেন – ফতেয়াবাদ পরগনা, ফরিদপুর
আলাওলের ‘তোহফা’ যে ধরনের কাব্য – নীতিকাব্য
‘পদ্মাবতী’ কাব্যগ্রন্থের অনুবাদক  - আলাওল
মহাকবি আলাওল যে যুগের কবি – মধ্যযুগের
মধ্যযুগে মুসলমান কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কবি – আলাওল

 শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ    
‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন – ফকির গরীবুল্লাহ
পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি – ফকির গরীবুল্লাহ
‘সোনাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা – শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ
শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহর কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ - ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্য

ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর     
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায় গুনকর মৃত্যুবরণ করেন – ১৭৬০ সালে
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর যে রাজসভার কবি – কৃষ্ণনগর রাজসভা
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’, এ পঙ্‌ক্তির স্রষ্টা – ভারতচন্দ্র
‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন – ভারতচন্দ্র
কবি ভারতচন্দ্র সভাকবি ছিলেন – রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
‘মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান’ রচনা করেন - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ছিলেন – আঠারো শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি
মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
ভারতচন্দ্র রায়কে ‘গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র

দ্বিজ বংশীদাস
‘মনসামঙ্গলের’ অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি – দ্বিজ বংশীদাস 
দ্বিজ বংশীদাসের কাব্যে দৃঢ়ভাবে অঙ্কিত হয়েছে – বেহুলার দুঃখ ও চাঁদ সওদাগরের দৃঢ়তা

যুগ সন্ধিক্ষণ ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
বাংলা সাহিত্যের যুগ সন্ধিক্ষণ বলা হয় – ১৭৬০-১৮৬০ সালকে
যুগ সন্ধিকালের কবি বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে
মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত