821 People Visite This Lesson.

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (Part -7 : আধুনিক যুগ)





বাংলা সাহিত্যের পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে
# ব্যাপ্তিকাল : ১৮০০-বর্তমান
# প্রধান লক্ষণ : আত্মচেতনা জাতীয়তাবাদ 
#
প্রধান বৈশিষ্ট্য : মানবের জয়জয়কার

আধুনিক যুগ (১৮০১- বর্তমান)

                     উপন্যাস

‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি – ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস 

‘কপালকুণ্ডলা’  যে প্রকৃতির রচনা – রোমান্সমূলক উপন্যাস

‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটির লেখক – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘দিবারাত্রির কাব্য’ উপন্যাসের লেখক – রবীন্দ্রনাথ

‘আধ্যাত্মিকা’ উপন্যাসের লেখক – প্যারীচাঁদ মিত্র

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক – মীর মশাররফ হোসেন

‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ যে জাতীয় রচনা – আত্মজৈবনিক উপন্যাস

‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসের রচয়িতা – কাজী নজরুল ইসলাম

‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা – রশীদ করিম

‘কাশবনের কন্যা’ যে জাতীয় রচনা – উপন্যাস

‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল – পথের দাবী

‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক – শামছুদ্দীন আবুল কালাম

কখনো উপন্যাস লেখেননি – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

‘পথের দাবী’ উপন্যাসের রচয়িতা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘চতুরাঙ্গ’ উপন্যাসের রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘বিষাদ-সিন্ধু’ –এর রচয়িতা - মীর মশাররফ হোসেন

‘সংশপ্তক’ –এর রচয়িতা – শহীদুল্লা কায়সার

‘নদী ও নারী’ রচনা করেন – হুমায়ুন কবির

‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম – যুগী

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস -  দুর্গেশনন্দিনী

‘বটতলার উপন্যাস’ যার রচনা – রাজিয়া খান

‘আলালের ঘরের দুলাল’ যার লেখা - প্যারীচাঁদ মিত্র

‘বায়ান্ন গলির এক গলি’ যার রচনা – রাবেয়া খাতুন

‘শেষের কবিতা’ গ্রন্থটি একটি – উপন্যাস
অথবা, শেষের কবিতা কোন ধরনের গ্রন্থ ?

‘লালসালু’ উপন্যাসের রচয়িতা – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

‘বাঁধন হারা’ উপন্যাসের রচয়িতা – নজরুল ইসলাম

‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটির রচয়িতা – আবু ইসহাক

‘সংশপ্তক’ যার রচনা – শহীদুল্লাহ কায়সার

বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস – আলালের ঘরের দুলাল

‘অক্টোপাস’ উপন্যাসের লেখক – শামছুর রাহমান

‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা – রশীদ করিম

‘হুতোম প্যাঁচার নক্সা’ যে জাতীয় রচনা – রম্য রচনা

নন্দিত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ‘দেয়াল’ একটি – রাজনৈতিক উপন্যাস

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’  - নিরিক্ষাধর্মী উপন্যাস

‘মৃণালিনী’ উপন্যাসের রচয়িতা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘রাজসিংহ’ হচ্ছে – বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাস

‘বটতলা উপন্যাস’ এর লেখক – রাজিয়া খান

‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি রচনা করেছেন – আলাউদ্দিন আল আজাদ 

‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের লেখকের নাম – কাজী ইমদাদুল হক

‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমান রচিত একটি – উপন্যাস

শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস – শ্রীকান্ত

বাংলাদেশের চেতনার প্রবাহরীতির উপন্যাস লিখেছেন – জহির রায়হান

‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসের লেখক - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

হুমায়ূন আহমেদের প্রথম উপন্যাস – নন্দিত নরকে

‘বেনের মেয়ে’ উপন্যাসের রচয়িতা – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শওকত ওসমান যে উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরস্কার পান – ক্রীতদাসের হাসি

‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের রচয়িতা – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

‘ইছামতি’ উপন্যাসের রচয়িতা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস - দুর্গেশনন্দিনী

‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটির রচয়িতা – আবু ইসহাক

‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি – উপন্যাস

‘শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাস লিখেছেন - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা - শহীদুল্লাহ কায়সার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাস – গোরা

‘তিতাস একটি নদীর নাম’ – উপন্যাসটি লিখেছেন – অদ্বৈত মল্লবর্মণ

‘পদ্মা নদীর মাঝি’ –এর লেখক – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের পূর্বস্তর – সামাজিক নকশাজাতীয় রচনা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ( বাঙালি কর্তৃক রচিত) – ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৭) (রচয়িতা : প্যারীচাঁদ মিত্র)

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কিশোর চরিত্র – ইন্দ্রনাথ

বাংলা উপন্যাসের প্রথম রোমান্টিক উক্তি – ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক – স্বর্ণকুমারী দেবী

‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা – রশীদ করিম

                                             

 

                     নাটক

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক – কৃষ্ণকুমারী

‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটকটির লেখক – রামনারায়ণ তর্করত্ন

দীনবন্ধু মিত্রের একটি প্রহসন – বিয়ে পাগলা বুড়ো

‘বেহুলা গীতাভিনয়’ নাটকটির রচয়িতা – মীর মশাররফ হোসেন

কলকাতায় ‘প্লে-হাউজ’ নামে প্রথম রঙ্গমঞ্চ তৈরি হয় – ১৭৫৩ সালে

‘সাজাহান’ নাটকের প্রথম রচয়িতা – দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসী’ নাটকটির রচয়িতা – সেলিম আল দীন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ যে নাটকের গদ্য অনুবাদ – কমেডি অব এররস

‘রক্তকবরী’ নাটকটির রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘করব’ নাটকটির রচয়িতা – মুনীর চৌধুরী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত যে নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন – বসন্ত

ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য – জীবনানুভূতির গভীরতায় 

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ – বসন্তকুমারী

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মূলত একটি – ঐতিহাসিক নাটক

‘নীলদর্পণ নাটকের নাট্যকার – দীনবন্ধু মিত্র

‘নেমেসিস’ নাটক লিখেছেন – নুরুল মোমেন

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি – কৃষ্ণকুমারী

‘একেই কি বলে সভ্যতা’ যে ধরনের নাটক – প্রহসন

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ লিখেছেন – মুনীর চৌধুরী

‘মসনদের মোহ’ নাটকটির রচয়িতা – শাহাদাৎ হোসেন

‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ গ্রন্থটির লেখক – সৈয়দ শামছুল হক

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক যে পটভূমিতে রচিত – পানিপথের যুদ্ধ

‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচনা করেন সেলিম আল দীন

‘বেদের মেয়ে’ গীতিনাট্য লিখেছেন – জসিমউদ্‌দীন

বাংলা নাটক প্রথম অভিনয় হয় – ১৭৯৫ খ্রিষ্টাব্দে

‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’  নাটকটির রচয়িতা – সৈয়দ শামছুল হক

‘নবান্ন’ নাটক লিখেছেন – বিজন ভট্টাচার্য 

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘ঝিলমিল’ গ্রন্থখানি – নাটক

‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকটির রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত

‘নেমেসিস’ নাটকের রচয়িতা – নুরুল মোমেন

বাংলা মৌলিক নাটকের সূত্রপাত হয় – ১৮৫২ সালে

বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক নাটক রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত - ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪)

বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক ও আধুনিক নাটক – ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১)

মুসলমান চরিত্র অবলম্বনে প্রথম বাংলা নাটক – ‘জমিদার দর্পণ’

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক কমেডি নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত – ‘পদ্মাবতী’ (১৮৬০)

ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক – নীলদর্পণ

 

উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যকার 

নাট্যকার

নাটক

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী

দীনবন্ধু মিত্র

নীলদর্পণ, লীলাবতী, নবীন তপস্বিনী, কমলে কামিনী

গিরিশচন্দ্র ঘোষ

সীতার বনবাস, প্রফুল্ল, সিরাজদ্দৌলা, অভিমন্যুবধ

মীর মশাররফ হোসেন

বসন্তকুমারী, জমিদার দর্পণ 

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

তারাবাঈ, নূরজাহান, মেবারপতন, সাজাহান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তাসের ঘর, রক্তকবরী, ডাকঘর, প্রায়শ্চিত্ত, কালের যাত্রা, বিসর্জন

কাজী নজরুল ইসলাম

আলেয়া, মধুমালা, ঝিলিমিলি, পুতুলের বিয়ে

জসীমউদ্‌দীন

বেদের মেয়ে, মধুমালা

নূরুল মোমেন

রূপান্তর, নেমেসিস, আলোছায়া

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সুড়ঙ্গ, বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ

মুনীর চৌধুরী

রক্তাক্ত প্রান্তর, কবর, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য

আবদুল্লাহ আল মামুন

সুবচন নির্বাসনে, কোকিলারা, এখনও ক্রীতদাস

হুমায়ূন আহমেদ

এই সব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, অয়োময়, নক্ষত্রের রাত, কোথাও কেউ নেই

মামুনুর রশীদ

গিনিপিগ, সময় অসময়, আমার বোন, ওরা কদম আলী 

সেলিম আল দীন

যৈবতী কন্যার মন, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, কিত্তনখোলা, ভাঙ্গনের শব্দ শুনি

 

প্রবন্ধ

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থটির রচয়িতা – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

‘পঞ্চতন্ত্র’ প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন – সৈয়দ মুজতবা আলী

‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনীটি রচনা করেন – সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘ঠাকুরমার ঝুলি’ যে ধরনের রচনা সংকলন - রূপকথা

‘’কবিতার কথা’ প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা – জীবনানন্দ দাশ

‘সাম্য’ গ্রন্থের রচয়িতা - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি যে ধরনের রচনা – প্রবন্ধ

‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা – কাজী আবদুল ওদুদ

‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্থটির রচনা করেছেন – আখতারুজামান ইলিয়াস

‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’ – প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা – মোঃ লুৎফর রহমান

‘অবরোধবাসিনী’ গ্রন্থটির রচয়িতা – রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন 

‘দেশে-বিদেশে’ গ্রন্থটির রচয়িতা – সৈয়দ মুজতবা আলী

রুদ্রমঙ্গল যে ধরনের রচনা – প্রবন্ধ

‘কালান্তর’ শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্থের রচয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ মূলত – প্রবন্ধ

জসীমউদ্‌দীনের ‘যে দেশে মানুষ বড়’ যে ধরনের রচনা – ভ্রমণকাহিনী

মুনীর চৌধুরীর ‘মীর মানস’ যে জাতীয় গ্রন্থ – প্রবন্ধ

‘বিচিত চিন্তা’ যে জাতীয় গ্রন্থ – প্রবন্ধ

‘কালান্তর’ শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

‘যদ্যপি আমার গুরু’ রচনা করেছেন - আহমদ ছফা

বাংলা প্রবন্ধের সূত্রপাত হয় – উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে

বাংলা প্রবন্ধধারার প্রবর্তক – রাজা রামমোহন রায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ব্যঙ্গরসাত্মক রচনা – কমলাকান্তের দপ্তর

বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মচরিতমূলক গ্রন্থ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর